অর্গানিক বেতাগার কৃষক মাঠে বারি 

ফকিরহাটে পেয়াজ-৪ চাষে বাম্ফার ফলনের সম্ভাবনা

পি কে অলোক,ফকিরহাট

আপডেট : ০৮:২৫ পিএম, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭৮

ফকিরহাটের অর্গানিক বেতাগার কৃষক মাঠে বারি পেয়াজ-৪ এর বাম্ফার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগীতায় কৃষকরা মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন করে লাভবান হচ্ছেন। এধারা অব্যাহত থাকলে মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে এঅঞ্চলের কৃষকরা অর্থনৈতিক ভাবে আরো স্বাবলম্বি হবেন।


জানা গেছে, অর্গানিক বেতাগার কৃষক মোঃ আসাদুজ্জামান উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে মাত্র ৩৩শতক জমিতে বারি পেয়াজ-৪ এর চাষ শুরু করেন। শুরুতে তিনি বারি পেয়াজ-৪ চাষে তেমন একটা আগ্রহ না দেখালেও পরবর্তিতে তিনি উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে পেয়াজ চাষ শুরু করেন। সে মোতাবেক উপজেলা কৃষি অফিসের জিকেবিএসপি প্রকল্পের অর্থায়নে বীজ সার ও অন্যান্য উপকরণ পেয়ে চষাবাদ করতে থাকেন। এখন তার ক্ষেতে যে ফসল দেখা যাচ্ছে তাতে ৩৩শতকে ২০/২২মন পেয়াজ উৎপাদন হবে বলেও তার ধারনা। আসাদুজ্জামান বলেন, স্বল্প খরচে স্বল্প সময়ে (তিন মাসে) অধিক ফসল পাওয়ার আশায় তিনি পেয়াজ চাষ শুরু করেন। বাস্তবে তাই হয়েছে। আবাওয়া অনুকুলে থাকলে বাম্ফার ফসলে তিনি অধিক লাভবান হবেন। এছাড়াও একই মাঠে আল আমিন গাজী ৪০শতক জমিতে, অখিল দাশ ২০শতক জমিতে ও আব্দুর রাজ্জাক ২৩শতক জমিতে বারি পেয়াজ-৪ এর চাষাবাদ করেছেন। মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে জমির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বল্প খরচে অধিক মুনাফা পেয়ে অর্থনৈতিক ভাবে তারা লাভবান হচ্ছেন বলেও তারা দাবী করেন।


এব্যাপারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডিপ্লমা কৃষিবিদ প্রদীপ কুমার মন্ডল, সেলায়মান মন্ডল ও উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন এর সাথে আলাপ করা হলে তাঁরা বলেন, স্মাট ফকিরহাট বির্ণিমানে স্মাট কৃষি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সেই বিষয়টি মাথায় নিয়ে স্থানীয় কৃষকদের-কে কৃষির উপর নানাধরনে প্রশিক্ষন প্রদান করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কৃষকরা যাহাতে মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে আরো বেশি উৎসাহী হয়, সেজন্য জিকেবিএসপি প্রকল্পের অর্থায়নে বীজ সার ও অন্যান্য উপকরণ সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। এতে তারা উৎসাহী হয়ে মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে আরো বেশি উৎসাহী হচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত