Logo
table-post
মোংলায় বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
01/01/1970 12:00:00

মাসুদ রানা,মোংলা 

মোংলায় সুন্দরবন রক্ষা ও বনজ সম্পদ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখায় স্থানীয় অসাধু চক্রের ষড়যন্ত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচারের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন চিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সুন্দরবন চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির (সিএমসি) সভাপতি মোঃ ফারুক হাওলাদার।

বুধবার ৭ অক্টোবর  রাত সাড়ে   ৮ টায়  মোংলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ ফারুক হাওলাদার জানান, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং পেশায় একজন ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী। একই সাথে সুন্দরবন সুরক্ষায় চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার ও হরিণ শিকারীদের বিরুদ্ধে তিনি এবং তাঁর সংগঠন নিয়মিত তৎপর থাকায় একটি অসাধু চক্র তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তিনি অভিযোগ করেন, চাদঁপাই ফরেস্ট এলাকার সোহেল শেখ ও গাববুনিয়া এলাকার মিলন শেখ নামে দুই ব্যক্তি তাদের অপকর্মের পথ সুগম করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ফেসবুক আইডি  রাজ খান  ও মিডিয়া সেল মোংলা  সহ বিভিন্ন    পেজের মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

বিষ দিয়ে মাছ ধরা ও হরিণ শিকারে বাধা দেওয়ায় অভিযুক্তরা তাঁকে নিয়মিত খুন-জখমের হুমকিও দিচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন  জানান, জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে ইতিমধ্যেই তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মোংলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। 

এছাড়া হুমকি প্রদানকারী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

এদিকে অভিযুক্ত সোহেল শেখ তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবী করেন এসবই প্রতিপক্ষের অপপ্রচার। 

অপর দুই  অভিযুক্ত মিলন শেখের মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। এছাড়া  রাজ খাঁনকে ফেসবুকের মেসেঞ্জারে কল  করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি মেসেঞ্জারের  খুদে বার্তা দিলে তিনি তার জবাব দেন নি। 

উল্লেখ্য, চিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সুন্দরবন চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির (সিএমসি) সভাপতি মোঃ ফারুক হাওলাদারের  দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিযুক্তরা  ফেসবুকে পোস্ট করেন  

সুন্দরবনের বড় হলদিখালী ও ছোট হলদিখালী খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের অভিযোগে অভিযান চালায় বন বিভাগ।  বিষ প্রয়োগ ও জাল পাতার স্থান শনাক্ত করে বন বিভাগ। 

অভিযানে নয়ন ও ফারুক হাওলাদারের টলারে তল্লাশি চালানো হয়। বন বিভাগের উপস্থিতি টের পেয়ে মাছ নদীতে ফেলে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে তারা।  পরে ফারুক হাওলাদারের ট্রলার  থেকে নিষিদ্ধ টোনা জাল উদ্ধার করা হয় এবং ট্রলারের  ড্রাইভার/ম্যানেজার রিয়াদকে আটক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মোংলা প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

@bagerhat24.com