রামপালে পাঠদান বন্ধ রেখে শুনানিতে শিক্ষক-কর্মচারীর উপস্থিতির অভিযোগ
01/01/1970 12:00:00রামপাল সংবাদদাতা
সোনাতুনিয়া আমেনা খাতুন এ,কে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পাঠদান বন্ধ রেখে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের শুনানিতে উপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এঘটনায় শেখ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সোনাতুনিয়া আমেনা খাতুন এ,কে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমানের বিরুদ্বে নানা অজুহাত দিয়ে ম্যানেজিং কমিটি বেতন ভাতা বন্ধ করে দেয়। প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমান গত ৩ সেপ্টেম্বর বেতন ভাতা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জানান। এঘটনায় শুনানীর জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩ টায় বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) কার্যালয়ে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও আবেদনকারী প্রধান শিক্ষক সাইদুর রহমানকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। কিন্তু পাঠদান বন্ধ রেখে বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবাসহ শিক্ষক ও কর্মচারীদের দেখতে পান বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
পাঠদান বন্ধ রেখে বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাসহ শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতির বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে প্রমাণ করা সম্ভব বলেও অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন।
শেখ আল মামুনের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ছুটি না নিয়ে পাঠদান বন্ধ রেখে শুনানিতে উপস্থিত হন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হয়েছে । এ ধরণের ঘটনা পুনরায় যাতে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানান তিনি।
এবিষয়ে সোনাতুনিয়া আমেনা খাতুন এ,কে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, ২/৩ জন ছাড়া আরও কেউ গিয়েছিল কিনা আমি জানি না।
এব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উম্মে হাবিবার সাথে কথা বলার জন্য সাংবাদিকেরা একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মুঠোফোন রিসিভ করেননি।
তবে রামপাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. গোলাম মোস্তফার দৃষ্টি আকর্শন করা হলে তিনি জানান, আমি অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্ত শিক্ষকদের কারণ দর্শানোর নোটিশ করেছি।
