Logo
table-post
চিতলমারীতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল
01/01/1970 12:00:00

চিতলমারী প্রতিনিধি   
চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যিমক বালিকা বিদ্যালয়ের জায়গা রক্ষার্থে সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা বিদ্যালয়ের সামনে প্রধান সড়কে এসব কর্মসূচি পালন করেন। 

এ সময় রাস্তার দুই পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেন। 

শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন শেষে পথ সভায় বক্তব্য রাখেন, চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট ফজলুল হক, প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র নাথ বাড়ই, শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার ও অর্তি মন্ডল।


প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র নাথ বাড়ই বলেন, ‘অত্র বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে ৩ একর ৫৬ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। যার ভূমি দান করেন চিতলমারী সরকারি সামছুন্নেছা মেমোরিয়াল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে মল্লিক সিরাজুল হক ২ একর ও শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের ছেলে এ কে ফায়জুল হক ১ একর ৫৬ শতক। ওই ৩ একর ৫৬ শতক জমির এস এ রেকর্ডীয় মালিক হাসিনা বেগম মাধ্যিমক বালিকা বিদ্যালয়। কিন্তুু বি আর এস জরিপের সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে রাস্তা পাশের দামি ২৩ শতক জায়গা মল্লিক সিরাজুল হকের নামে রেকর্ড করানো হয়। এতদিন ওই জমিতে দোকানঘর তুলে ভাড়া দিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করিছল। কিন্তুু বর্তমানে স্কুলের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেত্রী প্রভাবশালী সুলতানা মল্লিক ওই জায়গা দখলের পায়তাঁরা চালাচ্ছে। আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এটা কিছুতেই মেনে নেব না। বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষার্থে আমাদের এ আন্দোলন ও কর্মসূচি চলমান থাকবে।’

চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি এ্যাডভােকেট ফজলুল হক বলেন, ‘বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষা ও সংঘাত এড়াতে আমরা আদালতের স্মরণাপন্ন হই। আদালত ১৪৪ ধারা জারি করলেও উর্ধতন ফোনের কারনে প্রশাসন কোন কাজ করছে না। যার কারনে বিদ্যালয়ের জায়গা দখলে নিতে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেত্রী সুলতানা মল্লিক রাতের আধারে কাজ করাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে যে কোন সময় শিক্ষার্থীরা সংঘাতে জড়াতে পারে। আমরা এর থেকে পরিত্রান চাই।’

এ ব্যাপারে সুলতানা মল্লিক বলেন, ‘ওই জমির রেকর্ড ও দাখিলা সব আমাদের। ইচ্ছা করে আমাকে হয়রানি করার জন্য এ সব কর্মসূচী পালন করা হচ্ছে। তারা আইন অমান্য করে আমাদের ৪টি দোকান ঘর ভেঙ্গে দিয়েছে।’

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা ১৪৪ ধারা নোটিশ জারি করে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দিয়েছি। মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিলের খবর শুনে অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে ওখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল।’ 
 

@bagerhat24.com