সাংবাদিক সুজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে থানায় জিডি
01/01/1970 12:00:00রামপাল প্রতিনিধি
রামপালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাংবাদিক সুজন মজুমদারকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে রামপাল থানায় এ সাধারণ ডায়েরী করেন সুজন মজুমদার। যাহার সাধারণ ডায়েরী নং ৭০১। তারিখ ১৫. ০৫.২০২৬।
সাধারণ ডায়েরীতে সুজন মজুমদার উল্লেখ করেছেন, তিনি প্রেসক্লাব রামপাল এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক জনবাণী পত্রিকার রামপাল প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৩ মে সন্ধ্যায় প্লাস নিউজ রামপাল (Pulse New Rampal) নামে একটি ফেক আইডি থেকে আপত্তিকর পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়। ওই পোস্টে দেখা যায় সাংবাদিক সুজন মজুমদারের নাম বিকৃত করে ও তার শ্যালিকার ছবি ব্যবহার করে নানা ধরনের মিথ্যা ও আপত্তিকর কমেন্ট ছড়ানো হয়েছে। ফেক আইডি দিয়ে বিকৃত ও মানহানিকর তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্তির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও সাধারণ ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়। এইসব ফেক আইডি থেকে অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর পোস্ট করা হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে রামপালের বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ফেক আইডি খুলে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
তারা সাংবাদিকদের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং পেশাগত কাজে বাঁধা সৃষ্টির লক্ষে সম্মানহানিকর এমন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা ফেক আইডি দিয়ে সুজননের ছবি তার শ্যালিকার ছবি দিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা সাংবাদিক সুজন মজুমদার ছাড়াও প্রেসক্লাব রামপাল এর সাবেক সভাপতি এম, এ সবুর রানা, আহবায়ক মোতাহার মল্লিক, সদস্য সচিব মো. মেহেদি হাসান ও কবির আকবর পিন্টুকে ঘিরে ফেসবুকে মিথ্যা ও বানোয়াট পোষ্ট করায় রামপালে কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতি দাতারা হলেন, প্রেসক্লাব রামপালের আহবায়ক মোতাহার মল্লিক, সদস্য সচিব মেহেদী হাসান, এম, এ সবুর রানা, এ, এইচ নান্টু, মো. রেজাউল ইসলাম, মো. কবির আকবর পিন্টু, মো. তারিকুল ইসলাম, মোল্লা হাফিজুর রহমান, লায়লা সুলতানা, মুর্শিদা পারভিন, অমিত পাল, তুহিন মোল্লা, আব্দুল্লাহ শেখ, মো. হারুন শেখ, মো. আল আমিন শেখ প্রমুখ। তারা এমন আইডিধারী সাইবার অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যাবস্থা ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন। এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ রাজিব আল রশিদ বলেন, অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
