মোংলায় মাছের ঘের নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, উত্তেজনা তুঙ্গে
01/01/1970 12:00:00মাসুদ রানা, মোংলা
মোংলায় চিলা ইউনিয়নে মাছের ঘের দখল এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ রাতে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয় ।
বর্তমানে পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।পরিস্থিতি বর্তমানে কিছুটা শান্ত থাকলেও দুই পক্ষই অবস্থান ফিরে পেতে অনড় রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোংলার চিলা ইউনিয়নের একটি মৎস্য ঘেরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিএনপির দুটি প্রভাবশালী গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের একজন শীর্ষ নেতা এবং অপর পক্ষে রয়েছেন স্থানীয় পর্যায়ের অপর এক বিএনপি নেতা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘেরের দখল নিতে গেলে উভয় পক্ষের কর্মীরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও লাঠিসোটার মারামারির ঘটনা ঘটে।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক পলাশের দাবি, প্রতিপক্ষ গ্রুপের কর্মীরা অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ঘের দখল নিতে হামলা চালায় । হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ।
অন্যদিকে, অপর পক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা তাদের বৈধ মালিকানাধীন ঘের রক্ষা করতে গেলে প্রতিপক্ষের বাধার মুখে পড়ে।উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক পলাশ ও তার সমার্থকরা হামলা চালায় হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোংলা থানা পুলিশ এলাকায় টহল জোরদার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, কোনো পক্ষকেই আইন হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন "আমরা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে সতর্ক রয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
