অবশেষে যাত্রাপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভবতী নারীদের সেবায় পূর্ণাঙ্গ বেড চালু
01/01/1970 12:00:00স্টাফ রিপোর্টার
বাগেরহাট স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এক অধিপরামর্শ সভা বুধবার দুপুরে অনুষ্টিত হয়েছে। টিআইবি’র সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) আয়োজনে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুষ্টিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ কুমার বকসী।
টিআইবি‘র এরিয়া কোঅর্ডিনেটর শেখ বশির আহমেদ এর সঞ্চালনায় অধিপরামর্শ সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সনাকের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটির আহ্বায়ক বাবুল সরদার।
আন্যান্যদের মধ্য হতে বক্তব্য রাখেন সনাকের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকমিটির যুগ্ম-আহবায়ক অধ্যাপক খান সালেহ আহমেদ, ফিরোজা নাসরিন ডলি, সদস্য মোরশেদুর রহমান, অসীমা ঘোষ প্রমুখ। সভায় যাত্রাপুর ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সেবার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নতুন ভবন নির্মাণ; পর্যাপ্ত ঔষধের ব্যবস্থা করা; গর্ভবতী নারীদের সেবার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বেডের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।
বক্তাগণ বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সরকারের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় জনবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করতে হবে। সভায় আরো জানানো হয় যাত্রাপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভবতী নারীদের সেবার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সেখানে ইতোমধ্যে সাতটি ডেলিভারী সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: প্রদীপ কুমার বকসী বলেন, সনাকের অধিপরামর্শ সভায় যাত্রাপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভবতী নারীদের সেবার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বেডের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হলে এনিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করি। একপর্যায়ে ইউনিসেফ এর সহযোগিতায় এটি সম্পন্ন হয়েছে। গর্ভবতী নারীদের সেবার জন্য যাত্রাপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মিডওয়াইফ আফসানা আক্তার আন্তরিকতার সাথে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। ইতোমধ্যে যাত্রাপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভবতী ৭ জন মায়ের নরমাল ডেলিভারী হয়েছে। যা আশার সঞ্চার করছে।’
প্রসঙ্গত: যাত্রাপুর এলাকার ১০ টি গ্রামের বাসিন্দাদের দীর্ঘ দিনের দাবী ছিল ‘যাত্রাপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভবতী নারীদের সেবার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বেড চালু করা। এ বিষয়ে বাগেরহাট সচেতন নাগরিক কমিটি (টিআবি) পক্ষ থেকে একাধিক অধিপরামর্শ সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।
