চিতলমারীতে রাতেও ওষুধের দোকান খোলা রাখার দাবিতে আলোচনার ঝড়
01/01/1970 12:00:00রাতের জরুরি চিকিৎসা সংকটে রোগীরা, ফেসবুক লাইভে সুমনের দাবিতে ব্যাপক জনসমর্থন।
চিতলমারী প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারীতে রাতের বেলা জরুরি রোগীদের জন্য ওষুধ সংকট এখন উদ্বেগজনক। এই সংকট থেকে উত্তরণের আহ্বান জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের সদস্য জয়নুল পারভেজ সুমন।
বুধবার (২১ মে) দিবাগত রাতের প্রথম প্রহরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, “রোগীদের স্বার্থে চিতলমারী উপজেলায় প্রতিদিন একটি করে ওষুধের দোকান খোলা রাখা জরুরি।” এই দাবিটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
সুমন বলেন, “আমার বাড়ি চিতলমারী সদর বাজারে। প্রতিদিন রাতে দেখি বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসার জন্য ওষুধ না পেয়ে বিপাকে পড়েন। আমাদের উপজেলায় প্রায় ২ লাখ মানুষের বাস — কিন্তু রাতে একটি ফার্মেসিও খোলা থাকে না। আমরা কি পারি না রোটেশন পদ্ধতিতে প্রতিদিন একটি করে ফার্মেসি খোলা রাখার ব্যবস্থা করতে?”
তিনি আরও জানান, বাজারে প্রায় ১৫-১৬টি ওষুধের দোকান রয়েছে। প্রতিটি দোকান মাসে দুবার করে রাতে খোলা রাখলে ব্যবসায়ী ও রোগী উভয়েই উপকৃত হবেন।
চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তাওহিদুর রহমান জানান, তিনি এই বিষয়টি একাধিকবার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় উত্থাপন করেছেন, তবে কার্যকর কোনো উদ্যোগ গৃহীত হয়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক চিকিৎসক মো. আল-আমিন বলেন, “আমাদের সময় প্রতিদিন একজন দোকানদারকে অনকল রাখা হতো। রাতের ফোন পেলে তিনি ওষুধ সরবরাহ করতেন। এখন রাত ১১টার পর ওষুধ মেলা দুষ্কর। এতে রোগীদের জীবনের ঝুঁকি বাড়ছে।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, রাতের এই সংকট সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং ফার্মেসিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। রোগীদের জীবন বাঁচাতে এমন মানবিক দাবির দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।
