Logo
table-post
ডায়াগনস্টিক সেন্টার ব্যবসায়ীর মামলায় চিকিৎসক কারাগারে
01/01/1970 12:00:00

নিজস্ব প্রতিবেদক
শরণখোলায় পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক হেলাল তালুকদারের করা মামলায় মো. মাহমুদুল হাসান  নামের এক চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ১১ দিন ধরে বাগেরহাট কারাগারে রয়েছেন ওই চিকিৎসক। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে, জামিন না মঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


মোঃ মাহমুদুল হাসান লক্ষ্মীপুর জেলার আজিরবাড়ি গ্রামের মোঃ আবুল কাদেরের ছেলে।  


মামলা সূত্রে জানাযায়, মাহমুদুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার রায়েন্দা বাজারের পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এমবিবিএস চিকিৎসক পরিচয়ে রোগী দেখতেন। তিনি নিজের নামের সঙ্গে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করলেও বাস্তবে তার কোনো বৈধ সনদ ছিল না।মাহমুদুল হাসান অন্য এক চিকিৎসকের বিএমডিসি সনদ ও নম্বর জালিয়াতি করে প্রতারণার আশ্রয় নেন।


২০২২ সালের মে মাসে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক অভিযানে বিষয়টি ফাঁস হয় এবং প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. হেলাল তালুকদারকে জরিমানা করা হয়। পরে মাহমুদুল হাসান কৌশলে পালিয়ে যান এবং নতুন করে ‘ফিজিশিয়ান পয়েন্ট’ নামে একটি চেম্বার খুলে প্রতারণা চালিয়ে যান।


বাদী হেলাল তালুকদার আদালতে দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন, মাহমুদুল হাসান তার প্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু পরে ভুয়া পরিচয় এবং জালিয়াতির মাধ্যমে তার প্রতিষ্ঠান ও রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন। শুধু তাই নয়, ১ লাখ ৮২ হাজার টাকার বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র আত্মসাৎ করেন।


পরবর্তীতে ব্যবসায়ী হেলাল তালুকদার বাগেরহাট আদালতে মোঃ মাহমুদুল হাসানকে ভুয়া চিকিৎসক দাবি করে মামলা দায়ের করেন। মাহমুদুল হাসানের নামে নানা অভিযোগ প্রদান করেন।


হেলাল তালুকদার বলেন, ভুয়া চিকিৎসক মোঃ মাহমুদুল হাসান আমার সাথে প্রতারণা করেছেন। তেমনি সেবা গ্রহিতাদের সাথেও প্রতারণা করেছেন। আমি তার বিচার দাবি করছি।


এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাড. এনামুল হক বলেন, আদালত চিকিৎসক দাবি করা মোঃ মাহমুদুল হাসানকে কারাগারে প্রেরণ করেছে। আশাকরি আমরা ন্যায় বিচার পাব।

@bagerhat24.com