Logo
table-post
মোরেলগঞ্জে সালিশ বৈঠক শেষে মারপিট, অভিযোগের বিবাদী নিহত বাদী আটক
01/01/1970 12:00:00

মশিউর রহমান মাসুম
মোরেলগঞ্জে ঘের বিরোধ সংক্রান্ত একটি সালিশ বৈঠক শেষে মারপিটে মহিউদ্দিন মহারাজ(৫০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন তার ভাই শওকত আলী জোমাদ্দার(৫৫)। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে জিউধরা ইউনিয়নের লক্ষীখালী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। মারপিট ও হত্যার মূল অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর সাবেক সার্জেন্ট মো. মিজানুর রহমানকে শনিবার(১ মার্চ) বেলা ৭টার দিকে মোরেলগঞ্জ হাসপাতালের সামনে থেকে পুলিশ আটক করেছে। নিহত মহিউদ্দিন মহারাজ বরইতলা গ্রামের আবুবকর জোমাদ্দারের ছেলে। তার স্ত্রী ও ৪ সস্তান রয়েছে।

নিহতের স্ত্রী সালমা বেগম ও স্থানীয়রা বলেন, ৪ বিঘা জমির একটি ঘেরের মধ্যে সাবেক সেনা সদস্য মিজানুর রহমান কিছু জমি পাবে বলে দাবি তুলে ঘেরর মাছ লুট ও ঘের দখলের অভিযোগ দায়ের করে থানায়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য লক্ষীখালী ফাঁড়ি পুলিশের ওপর দায়িত্ব দেন। সে অনুযায়ী ফাঁড়ির আইসি এসআই মো. সাইদুর রহমান শুক্রবার দুই পক্ষকে কাগজপত্র ও মনোনীত শালীষদের নিয়ে ফাঁড়িতে যেতে বলেন।

সালিশ বৈঠক চলাকালিন আইসি সাইদুর রহমান অনুপস্থিত থাকায় পক্ষদ্বয় ফাঁড়ির সামনে রাস্তায় বাকবিতন্ডায় জড়ায়। এসময় অভিযোগের বাদি সার্জেন্ট(অব) মিজানুর রহমান ও তার সহযোগীরা বিবাদী মহিউদ্দিন মহারাজ, তার বড় ভাই শওকত জোমাদ্দারসহ ৪-৫জনকে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।

আহত দুই ভাইকে প্রথমে মোংলা সদর হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার শুক্রবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মহিউদ্দন মহারাজ মারা যায়। শনিবার বেলা ৮টার দিকে তার মরদেহ থানা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ফাঁড়ির আইসি না থাকায় পক্ষদ্বয় মারপিটে লিপ্ত হয়। এতে আহত মহিউদ্দিন মহারাজ মারা গেছে। তার লাশ পোষ্টমর্টে করাতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার মূল অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

@bagerhat24.com