অভিযোগ সি, এইচ, সি, পি, মলিনা রানির বিরুদ্ধে

কচুয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকের ঔষধ ডোবা থেকে উদ্ধার

নকীব মিজানুর রহমান,কচুয়া

আপডেট : ০৬:১৭ পিএম, শনিবার, ৫ নভেম্বর ২০২২ | ১৬৫২

কচুয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে রুগিকে ঔষধ না দিয়ে কচুড়িপনা ভর্তি ডোবায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই ক্লিনিকের সি, এইচ, সি, পি, মলিনা রানির বিরুদ্ধে।

শুক্রবার রাতে কচুয়া উপজেলার ৫নং গোপালপুর ইউনিয়নের পালিপাটন কমিনিটি ক্লিনিকের ভুমি দাতা মনোজ কুমার গোলদার ক্লিনিক সংলগ্ন কচুড়িপানা ভর্তি ডোবায় মাছ ধরতে নামলে ঘটনার শুত্রপাত ঘটে। এসময় তার হাতে মাছের পরিবর্তে ধরা পড়ে মুল্যবান এনটিবায়োটিক সিরাপ, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল সহ জন্মবিরতিকরণ পিল। ততক্ষনে আসে পাশে সবাইকে ডাকলে সবার সামনে ঔষধ গুলি পানি থেকে তুলে জড়ো করে।

এবিষয়ে শনিবার সকালে স্থানীয়রা কমিনিটি ক্লিনিকের সভাপতি সহ সবাইকে জানালে তারা জরুরি মিটিং ডাকলে ফুলতলা গ্রামের শেখ আকবার হোসেন, শেখ জাকির হোসেন, মোঃ টুকু শেখ, ইউপি সদস্য শেখ রফিকুল ইসলাম, সাবেক শিক্ষক মালিপটন গ্রামের অশোক কুমার মৌত্র সহ আরো অনেকে জানায়, সাবেক তিন নং ওয়ার্ড বর্তমান ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ডে স্থাপিত সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দোড় গোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষে মালিপাটন কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপিত হয়। সে লক্ষে সরকার প্রতি মাসে এক বার করে ঔষধ সরবরাহ করে থাকেন। ওই ঔষধ কচুয়া উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামের কিশোর কুমার বিশ্বাস বর্তমান কর্মরত কচুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র এ তারই স্ত্রী মলিনা রানি বিশ^াস আমাদের কে ঔষধ না দিয়ে এখানে ফেলে দিয়েছে।

এছাড়া কচুয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের গোপালপুর ইউনিয়নের ফুলতলা সহ ৫ গ্রামের দায়িত্ব প্রাপ্ত এফ ডব্লিউ, এ কাকলি রানি জানান, আসে পাশের রোগি আসলে তাদের ঔষধ না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়, কিন্তু একদিন ভুল করে ষ্টোর রুম খোলা রেখে মিটিং এ চলে গেলে আমরা দেখতে পাই রুমের ভিতরে কার্টুনকে কাটুন ভর্তি ঔষুধ। এই নিয়ে আমরা প্রতিবাদ করলে হয়তোবা তারই কারনে এই ঔষধ গুলি তিনিই এই কচুড়িপানা ভর্তি ডোবায় ফেলতে পারে। তিনি আমাকে ক্লিনিকের ভিতরে প্রবেশ করতে দিতো না। পরে ফুলতলা গ্রামের আকবর ভাইকে বললে শুধু মাএ অফিস রুমের চাবি টা আমাকে দিয়েছে। সেই থেকে আমি ঢুকে হাজিরা খাতায় সই করতে পারি।

উপস্থিত সাবেক সভাপতি ও ইউ পি সদস্য কানোন মৃধা এবং বর্তমান সভাপতি অমল কৃষ্ণ মৃধা জানান, এই কর্মি আমাদেরতো মূল্যায়ন করে না। তাছাড়া স্থানীয় রুগিদের সাথে দুর্ব্যবহার করে ঔষধ পত্র না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়। আমাদের কাছে এ ধরনের অভিযোগ অনেকেই করেছে। আমরা সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি।

এসব বিষয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকের সি এইচ সি পি মলিনা রানি বিশ্বাস এর নিকট জানতে চাইতে তিনি বলেন, বাহিরে যে ঔষধ গুলি পাওয়া গিয়েছে এই সম্পর্কে আমি কিছু জানি না। আমার বিষয়ে যে সব অভিযোগ এই গুলো সব সত্য নয়।

এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মনি শংকর পাইক বলেন, আমি স্থানীয় ভাবে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলাম, সেখানে দেখলাম সরকারি ঔষধ পওয়া গিয়েছে আমি ছবি তুললাম, ভিডিও করলাম, রেজিষ্টার বই দেখলাম, নোট নিলাম, আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো তারা প্রয়োজনে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
  • নির্বাচিত